খুলনা, বাংলাদেশ | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

একুশ শতকে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত কাজী নজরুল

অনলাইন ডেক্স:

শতাব্দী পেরিয়ে আজো সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। মানবতাবাদী নজরুল একুশ শতকে এসে হয়ে উঠেছেন মনুষ্যত্বের কবি। বিংশ শতাব্দীতে অসম্ভবকে সম্ভব করার যুগে এর অভিযান সেনাদলের তূর্যবাদক দলের প্রকৃতপক্ষে নায়ক ছিলেন নজরুল

৭৯ বছর বেঁচেছিলেন। কিন্তু তার মধ্যে ৩৬ বছর অসহনীয় নির্বাক জীবন কাটিয়েছেন। জন্মের পর থেকে মাত্র ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিক জীবন কাটিয়েছেন। এর মাঝে সাহিত্য রচনার কাল ছিল মাত্র ২৪ বছর। নজরুল বিশ শতকের প্রথমার্ধের কবি ও শিল্পী। সেই সময়ের এক সৃজনশীল শিল্পী ও কবির সৃষ্টিকর্ম একুশ শতকে এসে কতটা প্রাসঙ্গিক কতটা প্রয়োজনীয়?
আগামী কাল বুধবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মজয়ন্তী। তিনি নির্বাক হয়েছিলেন ৭৪ বছর আগে, তাঁর মৃত্যুর পরও আমরা পেরিয়ে এসেছি প্রায় ৪০ বছর। কে এই নজরুল? আর কেনই বা তার এমন দিগন্তবিস্তারী প্রভাব? গবেষকরা বলছেন, সাহিত্য রচনার সময়কালের ব্যাপ্তি যাই হোক না কেন নজরুলের প্রভাব শতাব্দী পেরিয়ে আজো সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। মানবতাবাদী কবি নজরুল একুশ শতকে এসে হয়ে উঠেছেন মনুষ্যত্বের কবি।
নজরুল এক ভাষণে বলেছিলেন, ‘বিংশ শতাব্দীর অসম্ভবের যুগে আমি জন্মগ্রহণ করেছি, এর অভিযান সেনাদলের তূর্যবাদকের একজন, এই হোক আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।’ কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নজরুল তূর্যবাদকদের একজন নন, তিনি ছিলেন সেই তূর্যবাদক দলের নায়ক।
বিশ্ব চেতনার ধারক এক বাঙালি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। যিনি তার কবিতা ও গান দিয়ে জাগিয়ে তুলেছিলেন বাঙালিকে। তিনি একাধারে বিদ্রোহী কবি, তিনি প্রেমের কবি, তিনি শোষিতের কবি। নজরুলের বিশ্বাসের গভীরে ছিল ‘মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’ আর সে কারণেই তিনি মানুষের বিভেদ সৃষ্টিকারী দেয়াল ভাঙতে চেয়েছিলেন।
ভাষাসৈনিক, নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বললেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু মানবতার কবি নন, একুশ শতকে এসে তিনি মনুষ্যত্বের কবি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন। আমরা যদি মানুষকে মর্যাদা দিতে না পারি তাহলে সেই সভ্যতা মূল্য বহন করে না। নজরুল এই কথাই তার সারজীবনের সাধনায় বলার চেষ্টা করেছেন।
নজরুল বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ বললেন, আজ যে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানবতা পর্যুদস্ত, মানুষের সঙ্গে মানুষের বিরোধ প্রবলতর, বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত ভয়াবহতর, এ প্রেক্ষাপটে কাজী নজরুল ইসলাম এখন তাঁর কালের চাইতেও আজ অধিক মাত্রায় প্রাসঙ্গিক। নজরুলের এই প্রাসঙ্গিকতা অব্যাহতভাবে বিরাজমান আমাদের সমাজে। মানুষের মুক্তি যতদিন না আসে, যতদিন থাকবে বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বার্থের সংঘাত, ততদিন নজরুল তাঁর সৃষ্টিকর্মে অব্যাহতভাবে থাকবেন প্রাসঙ্গিক।
গবেষকরা বলছেন, বিশ শতকের প্রথমার্ধ ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত, দুই দুইটি মহাযুদ্ধে বিশ্বকে দুই পরাশক্তি পদানত করে ফেলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এশিয়া আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পৃথিবীর পাশ্চাত্য উপনিবেশগুলিতে শুরু হয় স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রাম। বিশ শতকে প্রথম মহাযুদ্ধে জার্মানি ও তার মিত্র তুরস্কের পরাজয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল তুরস্ক-সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে, ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি ও বেলজিয়ামের উপনিবেশে পরিণত হয়। অপরদিকে জার্মানি, স্পেন ও ইতালিতে নািস ও ফ্যাসিস্ট শক্তির উত্থান দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নির্মাণকে ত্বরান্বিত করে। নজরুল ওই আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের পরিবর্তন দেখেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক হিসাবে নিজে যুক্ত ছিলেন। প্রথম মহাযুদ্ধশেষে কলকাতায় সাংবাদিক- সাহিত্যিক জীবনে তিনি ভারতে ইংরেজবিরোধী অসহযোগ আর খেলাফত আন্দোলনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসেন। তিনি স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র বিপ্লবী সংগ্রামের সমর্থক ছিলেন।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ শতকের বিশ ও ত্রিশের দশকে সামপ্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কূপমণ্ডুকতা, রক্ষণশীলতা, কুসংস্কার এবং ধর্মীয় আচার-আচরণ সর্বস্বতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন নজরুল। বিশ শতক পেরিয়ে আমরা একুশ শতকে প্রবেশ করেছি, সাম্রাজ্যবাদের বদলে এসেছে বিশ্বায়ন, ঔপনিবেশিক শোষণের স্থান নিয়েছে মুক্তবাজার অর্থনীতি, জাতীয় সংস্কৃতিকে গ্রাস করে ফেলেছে আকাশ সংস্কৃতির বিকিরণে অপসংস্কৃতির বাতাবরণ। আজ তৃতীয় বিশ্বের সবচেয়ে জটিল সমস্যা ওই প্রভুত্ব থেকে স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রাখা আর সে জন্য প্রয়োজন একইসঙ্গে স্বদেশি ও আন্তর্জাতিক হওয়া। নিজের জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির প্রতি অবিচল থেকে আন্তর্জাতিক হওয়া। তিনি বলেন, একুশ শতকের পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক এবং পরিবর্তনশীল বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে আজ নজরুলের মত দুঃসাহসী দেশপ্রেমিক মানবদরদী সাহিত্যিকের প্রয়োজন বড় বেশি। নজরুলের মত সংগ্রামের, বিজয়ের, মুক্তির গান আজ আমাদেরকে শোনাবে একুশ শতকের বাংলাদেশে? আজ নজরুলের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি যাতে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস না হারায়, নিজের ওপর আস্থা ফিরে পায়, সব বাধা-বিপত্তি এবং প্রতিকূলতাকে জয় করে। মানবতার জয় যে অর্জিত হবেই, এই কথাটা বলার মানুষ আজ নেই; সে জন্যেই আমাদের বার বার নজরুলের কাছে ফিরে যেতে হয়।
আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে রাজনীতি কম হয়নি। কেউ রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তুলনা করে বড় বা ছোট করতে চেয়েছেন। পাকিস্তান আমলে তো হিন্দু কবি আখ্যা দিয়ে রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে মুসলিম কবি হিসাবে নজরুলকে তুলে ধরার চেষ্টাও দেখা গেছে। কিন্তু কেউই নজরুলের কথা শোনেনি। তার লেখা পড়েনি। নজরুল তার সমসাময়িকদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অসামপ্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন হিন্দু- মুসলিমের মিলন ঘটাতে। সাম্যবাদী গ্রন্থের ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় তিনি লিখেছেন–
গাহি সাম্যের গান–/
যেখানে আসিয়া এক হয়ে  গেছে সব বাধা ব্যবধান/
যেখানে মিশেছে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-ক্রিশ্চান।
অনেকে বলে থাকেন নজরুলের ধর্ম বিশ্বাস আসলে কি, তিনি একধারে হামদ-নাত, ইসলামি গজল লিখেছেন আবার তিনি শ্যামা সঙ্গীত রচনা করেছেন। এসব প্রশ্নের উত্তরও নজরুল নিজেই দিয়েছেন। ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রবিবার কলকাতার এলবার্ট হলে কাজী নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। সেখানে তিনি বলেন, ‘কেউ বলেন, আমার বাণী যবন, কেউ বলেন, কাফের। আমি বলি ও দুটোর কিছুই নয়। আমি শুধুমাত্র হিন্দু-মুসলমানকে এক জায়গায় ধরে এনে হ্যান্ডশেক করাবার চেষ্টা করেছি, গালাগালিকে গলাগলিতে পরিণত করার চেষ্টা করেছি।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ বলেন, আমরা নজরুলকে সবসময় খণ্ডিতভাবে বিবেচনা করেছি। তাঁকে কখনোই পূর্ণাঙ্গভাবে বিবেচনার প্রয়াস নেয়া হয়নি। কখনো তিনি মুসলিম জাগরণের কবি, কখনো তিনি নাস্তিক কবি, কখনো তিনি হিন্দু-, দেব-দেবীর কবি। অথচ তিনি যে মানবতার কবি এই সত্যটি জাতীয়ভাবে আমরা কখনোই প্রচার করতে পারিনি কিংবা বিবেচনা করিনি। নজরুলকে উপলব্ধির এটাই আমাদের জাতীয় দুর্বলতা।
তরুণ কবি পিয়াস মজিদের মতে, ব্যক্তিকণ্ঠ ও গণকণ্ঠ উভয়ের মাঝে কোনো ফারাক রাখেননি নজরুল। এখনো সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে কবিতা লিখতে গিয়ে নজরুলের উদাহরণ প্রবলভাবে আসে আমাদের কাছে। সমসাময়িক বিষয়কে কি করে চিরকালীন কবিতা করে তোলা যায় তার কলাকৌশল নিহিত আছে নজরুলের কবিতায়। অসাম্প্রদায়িকতার বোধ ও ইহজাগতিকতা নজরুলের কাছ থেকে শিক্ষার আরো দুটি মূল্যবান বিষয়। একটি চূড়ান্ত শাস্ত্রশাসিত বদ্ধ সমাজে তিনি যেভাবে মানবতন্ত্রের গান গেয়েছেন তা আজকের বিভাজন পীড়িত সমাজে আরো বেশি প্রাসঙ্গিক। কবিকে কবি হওয়ার আগে যে অসাম্প্রদায়িক মানুষ হতে হবে নজরুল তা শিখিয়েছেন। নজরুল শুধু তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না প্রয়োগেও বিশ্বাসী ছিলেন। তাই স্বাধীন, সাম্যবাদী সমাজের জন্য রাজনীতি করেছেন, সাংবাদিকতাও করেছেন। আমরা যেন আমাদের কাঙ্ক্ষিত কোনো বড় লক্ষ্যের জন্য শুধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখেই দায়মুক্তবোধ না করি বরং বৃহতের জন্য মহত্তের জন্য নিজেদের সম্পূর্ণরূপে নিবেদন করি সে শিক্ষাও নজরুলই দেন।
রাজনীতি সচেতন এবং ভারতবর্ষের মুক্তি আন্দোলনের সৈনিক ছিলেন নজরুল। ইংরেজদের রোষাণলে ছিলেন সবসময়। রাজনৈতিক কবিতা লেখার জন্য কবিকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯২৩ সালে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে জবানবন্দি দেন যা ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে খ্যাত । তিনি সেখানে লেখেন, ‘আমার উপর অভিযোগ, আমি রাজবিদ্রোহী। তাই আমি আজ রাজকারাগারে বন্দি এবং রাজদ্বারে অভিযুক্ত।… আমি কবি, আমি অপ্রকাশ সত্যকে প্রকাশ করার জন্য, অমূর্ত সৃষ্টিকে মূর্তিদানের জন্য ভগবান কর্তৃক প্রেরিত। কবির কণ্ঠে ভগবান সাড়া দেন, আমার বাণী সত্যের প্রকাশিকা ভগবানের বাণী। সে বাণী রাজবিচারে রাজদ্রোহী হতে পারে, কিন্তু ন্যায়বিচারে সে বাণী ন্যায়দ্রোহী নয়, সত্যাদ্রোহী নয়। সত্যের প্রকাশ নিরুদ্ধ হবে না। আমার হাতের ধূমকেতু এবার ভগবানের হাতের অগ্নি-মশাল হয়ে অন্যায় অত্যাচার দগ্ধ করবে…’। প্রহসনের বিচারে কবির এক বছরের সাজা হয়, তাকে এই সময়ে সমর্থন জানিয়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য গ্রন্থটি নজরুলকে উত্সর্গ করেন।
নজরুলের সাহিত্য রচনা, রাজনীতি সচেতনতা প্রসঙ্গে ড. বিশ্বজিত্ ঘোষ বলেন, বাংলা সাহিত্যে নজরুলের আবির্ভাব ধূমকেতুর মতো। সাম্প্রদায়িকতা আর ঔপনিবেশিক সমাজে মুক্তির উত্স হিসেবে দেখা দিয়েছিলেন তিনি। তার আবির্ভাবের সময়টা ছিল মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণের কাল। এই জাগরণের সময় একটি স্বপ্ন থাকে, মুক্তির বাসনা থাকে, আত্ম উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা থাকে। নজরুলের জীবনে ও কর্মে এই বাসনা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি মুক্তির বাসনায় ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন, বিদ্রোহ করেছেন সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, মানুষ গরু, ছাগল নিয়ে যুদ্ধ করে কিন্তু সূর্যের আলো নিয়ে কেউ যুদ্ধ করে না। আমি সূর্যের আলো হয়ে এসেছি। আমি হিন্দু-মুসলমানের জন্য আসিনি — আমি এসেছি মানুষের জন্য। নজরুলের এই যে মানবতাবাদী ভাবনা এটাই নজরুলের জীবনাদর্শের কেন্দ্রীয় ভিত্তি। মানবতা চেতনাতেই তিনি আকাঙ্ক্ষা করেছেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সম্প্রীতি, আকাঙ্ক্ষা করেছেন মানব মৈত্রীর। বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে তিনি নির্মাণ করতে চেয়েছেন মিলিত বাঙালির এক বৃহত্তর সমাজ।
এ প্রসঙ্গে কবি পিয়াস মজিদ বলেন, নজরুল ছিলেন একইসঙ্গে জাতীয়তাবাদী ও আন্তর্জাতিকতাবাদী। তাই ভারতবর্ষের সর্বাঙ্গীন স্বাধীনতার জন্য যেমন লড়েছেন তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানব অবমাননার জন্য সরব হয়েছেন। আজ বাংলাদেশে আমরা যেমন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করছি তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়েও নজরুল আমাদের সোচ্চার হতে বলেন।
সুত্র:ইত্তেফাক