ভদ্রা নদী খননে ভূমিহীনদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে শনিবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা-ভদ্রদিয়া সীমান্তবর্তী চরভরাটি নদীর উপর এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন শতাধিক ভূমিহীনের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার পাচপোতা গ্রামের ভূমিহীন নজরুল ইসলাম ফকির।
তিনি বলেন, এক সময়ের খর¯্রােতা ভদ্রা নদী প্রাকৃতিকভাবে পলি ভরাট হয়ে সমতল ভূমিতে পরিণত হয়। এরপর আমরা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী নিয়মতান্ত্রিকভাবে বন্দোবস্ত নিয়ে বিগত ৩০/৩২ বছর যাবত ওই জমিতে বসতবাড়ি স্থাপন, কৃষি ফসল উৎপাদন ও মৎস্য চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। আমাদের একমাত্র সম্বল বন্দোবস্তকৃত এজমিতে পরিবার পরিজন নিয়ে কোন রকমে মাথা গোজার ঠাঁই করে নিয়েছি। অনেকে বন্দোবস্তকৃত জমি ব্যাংকে বন্দক রেখে ঋণও নিয়েছে। সম্প্রতি আমরা খবর পাই সরকার নদীটি খননের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদেরকে ১০/১২ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, এ নদী খনন করলে আমরা অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবো। পরিবার পরিজন নিয়ে রাস্তায় ওঠা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। সবমিলে সরকারের প্রতি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান ভূমিহীনরা। এসময়ে ভূমিহীনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শোভনা গ্রামের ফজলুর রহমান খান, ছাত্তার সরদার, জলিল খান, হামিদ বিশ্বাস, খাদিজা বেগম, ভদ্রদিয়া গ্রামের কামরুল মোড়ল, পলাশ দাস, পাচপোতা গ্রামের ছাত্তার শেখসহ ন শতাধিক নারী-পুরুষ।
খুলনাটুডে.কম | খুলনা বিভাগের সকল সংবাদ সবার আগে