খুলনা, বাংলাদেশ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

কপোতাক্ষের ভাঙনে আমনের ক্ষেত ও চিংড়ি ঘের প্লাবিত

পাইকগাছায় কপোতাক্ষের জোয়ারের তীব্র স্রোতে ও ভাঙনে বোয়ালিয়া ও হিতামপুর এলাকার ধান-মাছ ও ফসল হারানো কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন । স্থানীয় এমপি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পদস্থ কর্মকর্তারা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করলেও ছয় দিনও কর্তৃপক্ষের কোন সাড়া মেলেনি।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গেলে ভাঙ্গন প্লাবিত এলাকার আমন ধানের চাষী, চিংড়ি ঘের মালিকসহ ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, গত শনিবার দুপুরে পূর্ণিমার প্রবল জোয়ারে উপজেলার বোয়ালিয়া-হিতামপুরস্থ স্থানে লাখ-লাখ টাকা ব্যয়ে সদ্য মেরামত করা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২শ ফুট ভেড়িবাঁধ ভেঙে কপোতাক্ষ নদে বিলীন হয়ে যায়। এতে কয়েকটা গ্রাম প্লাবিত হয়ে ২ হাজার বিঘার ৮০টি চিংড়ি ঘেরের মাছ, কয়েক’শো বিঘার উঠতি আমন ধানের ক্ষেত, পুকুর, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব এড. নুরুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রশীদুজ্জামান সহ সর্বশেষ জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান বাবু ভাঙ্গন এলাকা দর্শন করেন । কিন্তু এ পর্যন্ত কোন অর্থ বরাদ্দ হয়নি বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন। এ এমপি আলহাজ্ব এড. নুরুল হক বলেন, মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসান, উপজেলা পরিষদে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তারা কোন পদক্ষেপ নিতে না পারলেও উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি ।
পাউবোর শাখা প্রকেীশলী শহীদউল্লাহ মজুমদার বলেন, এ মুহুর্তে ভাঙ্গন রোধে ৫০ লাখ টাকার প্রয়োজন কিন্তু মন্ত্রণালয় অর্থ বরাদ্দ না করলে তার কিছুই করার নেই বলে মন্তব্য করেন।