জালাল উদ্দিন ওমর:
গত ৮ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্টের ৫৮তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপা বলিকান দলের নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন পূর্ব অধিকাংশ জরিপে ডেম্যোক্রাট দলের প্রাথী হিলারি ক্লিনটনের বিজয়ের আভাস প্রকাশিত হলে ও, নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছেন। অপরদিকে নির্বাচন পূর্ব অধিকাংশ জরিপে ডোনাল্ড ট্রাম্প পিছিয়ে থাকলে ও, এবং বিতর্কিত বিভিন্ন মন্তব্যের জন্য তিনি বেশ বিতর্কিত হলেও, নির্বাচনে তিনিই বিজয়ী হয়েছেন। এমনকি রিপাবলিকান দলের শীর্ষ নেতারা ট্রাম্পের বিপক্কে অবস্থান করা সত্ত্বে ও, ট্রাম্পই বিজয়ী হয়েছেন । এই বিজয়ের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্টের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। হিলারি ক্লিনটন যথা রীতি এই নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়েছেন এবং বিজয়ী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন । এই নির্বাচনে মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আদিকাল থেকে চলে আসা কিছু রীতি বহাল রয়েছে। প্রথমত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়নি । এবার একজন নারীর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার সুয়োগ থাকলে ও, নির্বাচনে তা প্রতিফলিত হয়নি। অপরদিকে ১৭৭৬ সালের ৪ঠা জুলাই বৃটেনের কাজ থেকে স্বাধীনতা অর্জনকারি যুক্তরাষ্ট্রের ২৪০ বছরের ইতিহাসে ডেমোক্রাট বা রিপাবলিকান কোন দলই পর পর তিনবার প্রেসিডেন্ট পদে বিজয় লাভ করেনি। এবার ও সেই নিয়ম অপরিবর্তনীয় রয়েছে। তার মানে যুক্তরাষ্ট্রের লোকজন ঐতিহ্যপ্রিয় এবং তারা ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। এদিকে ৭০ বছর বয়সে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কারন অতীতে এত বেশি বয়সে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়নি। জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন, এজন্য তাকে অভিনন্দন জানাই। আমরা আশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র শান্তি, উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। একই সাথে আশা করব, ডোনাল্ডের ট্রাম্পের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবাধিকার ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। বন্ধ হবে যুদ্ধ, সংঘাত এবং হানাহানি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে বিশ্বে শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত হউক -এটাই আমাদের প্রত্যাশা ।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারির পরাজয় এবং ট্রাম্পের বিজয় অধিকাংশ মানুষের কাছে অপ্রত্যাশিত হলে ও, আমার কাছে তা একটি স্বাভাবিক বিষয়। কারন একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসাবে বরাবরই আমার বিশ্বাস ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হবেন। তাই জরিপের পর জরিপে হিলারীর এগিয়ে থাকার খবর এবং টিভি বিতর্ক ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে আমি বিচলিত হয়নি। এর প্রকৃত কারন হচ্ছে পৃথিবীর একক পরাশক্তি এবং ৯৬ লক্ষের ও বেশী বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম এই দেশটির ৩০ কোটি জনগনের অধিকাংশই এখনো রক্ষণশীল । তারা এত বিশাল রাষ্ট্রের বিশাল দায়িত্ব একজন নারীর হাতে তুলে দিতে চাননি। অপরদিকে ১৭৭৬ সালের স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে আজ পর্যন্ত ডেমোক্রাট এবং রিপাবলিকান দলের কেউই একটনা তিন টার্ম ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারেনি। স্বাভাবিক ভাবেই বারাক ওবামার নেতৃত্বে ডেমোক্রাট দলের দুই মেয়াদের আট বছরের শাসন শেষে রিপাবলিকান দলের বিজয়ের পালা। আর ভোটের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত হয়েছে । অধিকন্তু মানুষ কিন্তু বরাবরই পরিবর্তন প্রত্যাশী। এটা মানুষের একটি স্বভাবজাত ধর্ম। একদলের টানা আট বছর শাসন শেষে যুক্তরাষ্টের মানুষ ও স্বাভাবিক ভাবেই পরিবর্তন চেয়েছে । সব মিলিয়ে জনতার রায় রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষেই গেছে । ডোনাল্ড ট্রাম্পের শ্লোগান ”মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন” যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রানিত করেছে। আর হিলারির এমন কোন ক্যারিশমাটিক কোয়ালিটি নাই যে, চলমান প্রথা ভেঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ চোখ বন্ধ করে হিলারিকে ভোট দিবে। স্বাভাবিক ভাবেই হিলারির পরাজয় হয়েছে ।
যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান পৃথিবীর একক পরাশক্তি । স্বাভাবিক ভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি । তার ইশারায় বিশ্ব নড়ে এবং তার নির্দেশেই বিশ্ব চলে । এক্ষেত্রে তাকে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই । সুতরাং তার ইচ্ছাতেই অশান্তি এবং তার ইচ্ছাতেই শান্তি। তার ইচ্ছাতেই দেশে দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাজতন্ত্র আবার তার ইচ্ছাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দখলদারিত্ব। সুতরাং বিশ্বে শান্তি, গনতন্ত্র এবং সম্প্রতির প্রতিষ্টায় তার দায়িত্ব সবচেয়ে বেশী। একইভাবে বিশ্বে অশান্তি এবং হানাহানি সৃষ্টির জন্য তিনিই বেশী দায়ী। গনতন্ত্রের প্রবক্তা আব্রাহাম লিংকনের এই দেশকে হতে হবে বিশ্বের নিপিড়িত, নির্যাতিত ও অসহায় মানুষের আশা ভরসার প্রতীক । কিন্তু আজ বিশ্বের অনেক জায়গায় শান্তিকামী মানুষেরা এই পরাশক্তির হাতে নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হচ্ছে । বিনা বিচারে, মানুষেরা গুয়ানতানামাবার নির্জন কারাগারে বছরের পর বছর ধরে বন্দী। বিনা অপরাধে ইরাক, আফগানিস্তান এবং লিবিয়া স্বাধীনতা হারিয়েছে। হত্যা আর বর্বরতার শিকার হচ্ছে ইরাক, আফগানিস্তান এবং লিবিয়ার নিরাপরাধ মানুষেরা। সিরিয়ায় ছয় বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। ফিলিস্তিনে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধনে ইসরাইলী দখলদারিত্ব চলছে তো চলছেই। মিসরে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে। এসব অগনতান্ত্রিক কর্মকান্ডের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভুমিকা রয়েছে এবং এসব কারনে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র আজ সমালোচিত। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে ডোলান্ড ট্রাম্প। আমরা আশা করব ডোলান্ড ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান এসব যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধে কাজ করবেন এবং শান্তি প্রতিষ্টায় এগিয়ে আসবেন ।
বিশ্বে শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্টা করতে হলে প্রথমেই অশান্তি এবং হানাহানির প্রকৃত কারন খুজে বের করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী এবং আধিপত্যবাদী নীতি বিশ্বে অশান্তির প্রধান কারন । একইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতি ও বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টির জন্য দায়ী। সুতরাং বিশ্বে শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্টার জন্য প্রথমেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুক্তরাট্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী নীতি পরিত্যাগ করতে হবে। একইসাথে দ্বিমুখী নীতি পরিহার করতে হবে। মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখাতে হবে। একই সাথে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিদ্যমান সমস্যাসমুহ সমাধান করতে হবে। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্টার করতে হলে প্রথমেই ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান যেমন করতে হবে, ঠিক তেমনি ইরাক আফগানিস্তানে অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে হবে। বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়ে গুয়ানতামাবের কারাগার যেমন বন্ধ করতে হবে, ঠিক তেমনি সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়ায় চলমান গৃহযুদ্ধ বন্ধে কাজ করতে হবে। জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী কাস্মীরে গনভোট আয়োজনের ব্যবস্থা করে কাস্মীর সমস্যার যেমন সমাধান করতে হবে ঠিক তেমনি রোহিস্থা মুসলমানদের সমস্যা নিরসনে কাজ করতে হবে। মুসলিম দেশসমুহে বিদ্যমান সামরিক উপস্থিতির যেমন অবসান ঘটাতে হবে, ঠিক তেমনি দেশে দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্টায় কাজ করতে হবে। পছন্দের দল বিজয়ী হলেই গনতন্ত্র আর অপছন্দের দল বিজয়ী হলে অগনতন্ত্র –এই মানসিকতা আজ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পরিহার করতেই হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের যেমন ভোটাধিকার রয়েছে এবং পছন্দের প্রাথীকে ভোট প্রদানের অধিকার রয়েছে, ঠিক সে রকম ভোটাধিকার বিশ্বের সকল দেশের সকল মানুষের জন্য নিশ্চিত করতে হবে। দুর্ভাগ্য পৃথিবীর অনেক দেশেই জনগনের আজ ভোটাধিকার নেই। ইসরাইলের অন্যায় কাজের প্রতি সমর্থন যেমন পরিহার করতে হবে, ঠিক তেমনিভাবে ইসরাইলের পক্ষে জাতিসংঘে ভেটো প্রদান ও বন্ধ করতে হবে। তাহলেই কেবল বিশ্বে কাঙ্খিত পরিবর্তন আসবে এবং বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রতি ফিরে আসবে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্টার জন্য জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করতে হবে ।
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রথমেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্টা করতে হবে। তার জন্য প্রথমেই ফিলিস্তিন সমস্যার বাস্তব ভিত্তিক সমাধান করতে হবে। ফিলিস্তিনে ইসরাইলী আগ্রাসন এবং দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করলেই কেবল ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান হবে। একইসাথে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ আগ্রাসন এবং দখলদারিত্ব বন্ধ করতে হবে । তথাকথিত ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরীর মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিয়োগে ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে আগ্রাসন চালিয়েছিল এবং সেই থেকেই ইরাকে মার্কিন দখলদারিত্ব চলছে। অথচ ইরাক দখলের পর সেই গনবিধ্বংসী অস্ত্রের কিছুই পাওয়া যায়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরাকে দখলদারিত্ব বজায় রেখেছে এবং ইতিমধ্যেই নির্যাতনে কয়েক লক্ষ ইরাকী প্রান হারিয়েছে। সুতরাং শান্তি প্রতিষ্টা করতে হলে এখনই ইরাক থেকে সকল সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং ইরাকের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে হবে। একইভাবে আফগানিস্তানে ও অবৈধ দখলদারিত্ব এবং আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। গুয়ানতানামো কারাগারকে চিরতরে বন্ধ করতে হবে। সিরিয়া এবং লিবিয়ায় বিদ্যমান গৃহযুদ্ধ বন্ধ করতে হবে এবং দেশ দুটির স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। সিরিয়ার চল্লিশ লাখ মানুষ আজ উদ্বাস্তু, নিহত হয়েছে প্রায় পাচ লাখ মানুষ । সুতরাং সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধ করুন। কাস্মীর নিয়ে প্রায় সাত দশক ধরে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে এবং তা উপমহাদেশে স্থায়ী অশান্তি সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় কাস্মীর সমস্যার সমাধান করে এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্টা করতে হবে। তার জন্য দক্ষিন সুদান আর পুর্বতীমুরের মত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কাস্মীরে গনভোটের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেই গনভোটের রায় অনুযায়ী কাস্মীর সমস্যার সমাধান করতে হবে। বিশ্ব ব্যাপী উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে আজ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৬কোটি মানুষ উদ্ধাস্তু হিসাবে বসবাস করছে, যেটা মানবতার লজ্জা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই সব মানুষকে নিজ দেশের নিজ ঘরে ফিরে যাবার ব্যবস্থা করতে হবে। বিশ্বের প্রধান প্রধান এই সব সমস্যার সমাধান হলে সারাবিশ্বজুড়েই শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্টিত হবে এবং অশান্তি ও অরাজকতা সৃষ্টির পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এসব সমস্যা সমাধান করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্টা করার জন্য দৃঢ় সিদ্বান্ত নিয়ে ট্রাম্পকে এগিয়ে আসতে হবে ।
নির্বাচনী প্রচারনার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী বিরোধী এবং মুসলিম বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন । আশা করব প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পর তিনি তার এই নীতি পরিত্যাগ করবেন । আশার কথা ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিজয় পরবর্তী প্রথম ভাষনে নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব লোকের প্রেসিডেন্ট হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন । একই সাথে তিনি ঐক্যের আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্বব্যাপী সকল রাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক প্রতিষ্টার কথা ঘোষনা দিয়েছেন। আমরা আশা করব ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তির পথে নতুন এবং দীর্ঘ এক অভিযাত্রা শুরু করবেন । যে অভিযাত্রায় বিদ্যমান সকল প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে তিনি বিশ্বে সত্যিকার অর্থেই শান্তি প্রতিষ্টা করবেন –বিশ্ববাসীর এই প্রত্যাশার সাথে আমি ও আজ প্রতিক্ষারত । আর কোন যুদ্ধ সংঘাত নয় , আমরা কেবল শান্তি চাই। আর কোন হিংসা হানাহানি নয়, আমরা সম্প্রীতির সাথে বাঁচতে চাই । শান্তি এবং মানবতার জয় হউক ।
লেখক : প্রকৌশলী এবং উন্নয়ন গবেষক ।
খুলনাটুডে.কম | খুলনা বিভাগের সকল সংবাদ সবার আগে