যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়ার্কে বসবাস করেন খুলনার ছেলে সৈয়দ মাকসুদুল আলম। বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তিনি বিপদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। কারো কোন সহযোগিতা প্রয়োজন হলে ছুটে যান খুলনার এই কৃতী সন্তান। আর্থিক কোনো সুবিধার কথা বিবেচনা না করে বিপদগ্রস্ত মানষের সেবা করে থাকেন।

বাংলাদেশ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করার পর সৈয়দ মাকসুদুল আলম যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী জীবন শুরু করেন। সেখানে তিনি ইনফেরমেশন টেকনোলজির ওপর পড়ালেখা করে বিভিন্ন সনদ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি প্রযুক্তিবিষয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষা অর্জন ও কর্মস্থানে অবদান রাখছেন। গত নয় বছর ধরে সৈয়দ মাকসুদুল আলম যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তার দক্ষতা ও প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে কয়েকশ বাংলাদেশির কর্মস্থানের ব্যবস্থায় অবদান রেখেছেন।

ইতিমধ্যেই তিনি ‘এইচটিএমল৫ ডকুমেন্ট’ ও ‘লার্ন অ্যান্ড আর্ন ইউএফটি’ নামে প্রযুক্তিবিষয়ক দুটি বই লিখেছেন। তার এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে নিউইয়ার্কের কাউন্সিলল মেম্বর কোস্টা কোনস্টেনডিসসহ নিউইয়ার্ক সিটি কাউন্সিলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনার এই কৃতী সন্তান মাকসুদুল আলম বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। যার মাধ্যমে তিনি নিউইয়ার্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি অন্য ভাষাভাষি কমিউনিটির জন্যও কাজ করেন। বর্তমানে তিনি, জলবায়ু পরিবর্তন, গণমাধ্যম ও লোকনাট্য এবং শিশু অধিকারসহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত।

প্রবাসী এই বাংলাদেশি বাংলাদেশর মানুষের প্রযুক্তি দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে ইচ্ছুক। এ বিষয় নিয়ে বর্তমানে তিনি আমেরিকার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছেন। তার পরোক্ষ সহযোগিতায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে আমেরিকাভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

দ্রুত বাংলাদেশে আমেরিকান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ বাড়বে। ফলে বাংলাদশেই আর্ন্তজাতিক মানের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তদের নিয়ে আর্ন্তজাতিক মানের দক্ষতা ও জ্ঞান বিনিময়ের একটি মাধ্যম উন্মুক্ত করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি এই তরুণ উদ্যেক্তা।