ইব্রাহিম খলিলঃ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে গনধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ওই নারীকে। রোববার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপোতা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ভাড়া বাড়ি থেকে ভিটটিমকে উদ্ধার ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল হান্নান। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রনগর গ্রামের জামাত আলী পাড়ের ছেলে।
এদিকে অসহায় নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে।
সোমবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ থানায় অবস্থানকারি উপজেলার ঝায়ামারি গ্রামের এক নারী জানান, তার বাবা ও মা কেউ নেই। তিন বছর আগে তার বিয়ে হলেও স্বামীর আগের স্ত্রী ও সন্তান আছে জেনে সেখানে যাননি তিনি। পরে তাদের তালাক হয়ে যায়। ওই নারী আরো জানান,ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল হান্নানের সঙ্গে কয়েক মাস আগে মোবাইল ফোনে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে হান্নান তাকে ভাল বেতনে চাকুরির প্রস্তাব দিয়ে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে নলতা হাসপাতালের নিকটবর্তী ঘোড়াপোতা গ্রামের পুলিশ সদস্য রফিকুল ইসলামের বাড়িতে তোলেন। সেখানে বৃহষ্পতিবার রাতে খুন করার হুমকি দিয়ে আব্দুল হান্নান, একই গ্রামের ফিরোজ হোসেন ও কাজলা গ্রামের নওশের আলীর ঘর জামাই মনিরুজ্জামান তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। মুখ খুললে হত্যার ভয় দেখিয়ে পরপর তিন রাত তারা ধর্ষণ করলেও রোববার রাতে আরো লোকজন নিয়ে এসে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তার চিৎকারে গ্রামবাসিরা ছুটে এলে ফিরোজ ও মনিরুজ্জামান পালিয়ে গেলেও আব্দুল হান্নানকে আটক করে উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও সহকারি উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে সোপর্দ করে।
কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নিয়াজ মোহাম্মদ খান ঘোড়াপোতা থেকে রোববার রাতে আব্দুল হান্নানকে আটক ও এক নারীকে উদ্ধারের কথা স্বীকার না করেই বিষয়টি এড়িয়ে যান। বলেন বিষয়টি পরে জানানো হবে।