মোংলা বন্দর চ্যানেলের অ্যাংকোরেজে ১০ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আউটার বার এলাকায় নাব্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ফলে বন্দরে ৫০ হাজার টনের বিশাল জাহাজ অনায়াসেই ঢুকতে পারবে। এই এক জাহাজের পণ্য পরিবহণ করতে প্রয়োজন হবে দুই হাজার ট্রাক বা লরি। বর্তমানে এ বন্দরে ২০ থেকে ৩০ হাজার টনের জাহাজ ঢুকতে পারে।মোংলা বন্দরের অবস্থানগত কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ ভারত, নেপাল এবং ভূটানের মালামাল হ্যান্ডলিং ও পরিবহনের সহজ সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অ্যাংকোরেজ এলাকায় ১০ দশমিক ৫ মিটারের ঊর্র্দ্ধে জাহাজ বার্থের সুযোগ থাকলেও আউটার বার এলাকায় কম গভীরতার কারণে ৮ দশমিক ৫ মিটারের অধিক ড্রাফটের জাহাজ প্রবেশ করতে পারে না। এ জন্য মোংলা বন্দর চ্যানেলে গভীর ড্রেজিং করা হবে।‘মোংলা বন্দর চ্যানেলের আউটার বারে ড্রেজিং’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকায় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ড্রেজিং শেষ করা হবে।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (মবক) চেয়ারম্যান কমডোর এ কে এম ফারুক হাসান বাংলানিউজকে বলেন, ভারত, নেপাল ও ভূটান থেকে মালামাল হ্যান্ডলিংয়ের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আছে এই বন্দরে। কিন্তু আউটার বারের গভীরতা কম হওয়ায় বড় জাহাজ বন্দরে ঢুকতে পারে না। তাই নাব্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের কথা রয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (মবক)।প্রকল্পের আওতায়, আউটার বার এলাকায় ১০৩ লাখ ৯৫ হাজার ঘনমিটার ড্রেজিং, হাইড্রোলিক বিশেযজ্ঞের পর্যবেক্ষণ, মডেলিং এবং প্রভাব মূল্যায়নও করা হবে। এর পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় একটি হাইস্পিড বোটও কেনা হবে।
খুলনাটুডে.কম | খুলনা বিভাগের সকল সংবাদ সবার আগে