অনলাইন ডেস্ক:
বন্ধু হচ্ছে নির্ভরতার প্রতীক। আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস। আজকের দিনটি শুধুই বন্ধুর জন্য। যদিও কর্মব্যস্ততার জন্য কেউই অন্যকে সারা দিন সময় দিতে পারেন না। কিন্তু দিনের কিছুটা সময় হলেও এক বন্ধু অন্য বন্ধুর পাশে বসে। ভালো মন্দের খোঁজ নেয়। আমাদের তারকাদেরও আছে বন্ধু। তারাও দিবসটি উদযাপন করতে চায় নিজের মতো করে।
সমাকালীন চলচিত্রের সবচাইতে আলোচিত শীর্ষ নায়িকা ঢালিউড কুইন খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। রুপালি জগতের বাহিরেও বাস্তব জীবনে অন্যান্যদের মত তারও রয়েছে বাল্য বন্ধু। সুযোগ পেলেই ফিরে যান তিনি তার শৈশবের স্মৃতিতে। শৈশবে তার রয়েছে বেশ কয়েকজন বান্ধবী, তার মধ্যে বৃষ্টি ও সিমিম অন্যতম।
এ প্রসঙ্গে অপু বলেন, ‘কয়েকজন বাল্যবন্ধু রয়েছে। এর মধ্যে সিমিম একজন। সিমিম আর আমি দেখতে প্রায় একই রকম। সিমিম এখন দক্ষিণ কোরিয়া থাকে। ওর সঙ্গে আমার দীর্ঘ সময় কথা হয় না। ছেলেবেলার কথাগুলো আমার মনে আছে। আমার বাসায় কমিটমেন্ট করা ছিল আমি এসএসসিতে ভালো রেজাল্ট করলে আমাকে একটা মোবাইল ফোন কিনে দেবে। আমি ভালো রেজাল্ট করি। এরপর বাসা থেকে আমাকে মোবাইল ফোন কিনে দেয়। আর আমার মোবাইলটা ছিল সিটিসেল। তখন তো আমাদের নম্বর কেউ জানত না। তখন আমরা দুই বান্ধবী মিলে রিংটোন বাজিয়ে বাজিয়ে ঘুরতাম। সবাইকে জানাতাম আমাদের মোবাইল আছে। পেপারে নম্বর, ক্যালেন্ডারে নম্বর দেখে ফোন করতাম। তারা আবার ফোন ব্যাক করত। তখন রিংটোন বাজলেই ভালো লাগত। ফোন রিসিভ করতাম না। এই রকম চলত।’
তিনি আরো বলেন, ‘তখন আমি ‘কোটি টাকার কাবিন’ সিনেমার কাজ করেছি। আমার আর শাকিবের প্রেমের বিষয়টা সিমিমকে শেয়ার করলাম। তখন সিমিম বলেছিল, শাকিব খান কেমন রে? দে একটু কথা বলি। কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে, বাসের ছাদে উঠে আমরা দুজন শাকিবের জন্য অপেক্ষা করতাম- শাকিব কখন ফোন করবে। এতটা এক্সসাইটেড ছিলাম যে, ফোন রিসিভ করে ‘হ্যালো’ বলা এটা আমার আসত না। ফোন রিসিভ করে সিমিমকে দিয়ে বলতাম, তুই বল তুই বল.. এভাবে সিমিম হ্যালো বলে দিত তারপর আমি কথা বলতাম। জীবনে বন্ধু কী জিনিস তা বলে বোঝানো যাবে না ‘
খুলনাটুডে.কম | খুলনা বিভাগের সকল সংবাদ সবার আগে