অনলাইন ডেক্স:
ফ্রান্সের মতো ‘পুরো মুখ ঢাকা পোশাক’ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপের ছোট্ট দেশ লাটভিয়াও। মূলত লাটভিয়ান, রাশিয়ান, ইউক্রেন এইসব জাতি গোষ্ঠীর বসবাস লাটভিয়াতে। দেশটিতে প্রায় এক হাজার মুসলিমও বাস করেন বলে ধারণা করা হয়।
লাটভিয়ার সরকার জানিয়েছে, কোনও রকম ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত না করে লাটাভিয়াতে নিষিদ্ধ করা হলো নেকাব বা বোরকা। সারাবিশ্বে যেভাবে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ছে তাতে এ নিষেধাজ্ঞার পেছনে রয়েছে জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়। খবর ইন্ডিপেনডেন্টের
তাদের যুক্তি, সন্ত্রাসের কবল থেকে বাঁচতে ও সাবধান হতেই এই সিদ্ধান্ত। অনেক ক্ষেত্রেই বোরকার আড়ালে বেআইনিভাবে অস্ত্রপাচার করে সন্ত্রাসবাদীরা। এই ধরনের ঘটনাকে ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত।
২০১০ সালে ফ্রান্স ‘মুখ ঢাকা পোশাক’ বা বোরকা নিষিদ্ধের পর ইউরোপে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। ইউরোপে ফ্রান্সই প্রথম দেশ যারা এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়।
ফ্রান্সে কেবল বোরকা নয়, মুখ ঢাকা যেকোনো পোশাক, মুখোশ, বালাক্লাভা, হেলমেট বা হুড–যা পরিচয় গোপন রাখতে সহায়তা করে, তা নিষিদ্ধ। দেশটিতে বোরকা পরলে ৩২ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে আইনে।
লাটভিয়ার আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘২০১৭ সালের মধ্যে লাটাভিয়াতে আর কোনও নারী নেকাব পরবে না। এটা এখনই সম্ভব নয়, তবে দেশের এবং সংস্কৃতির ওপর পূর্ণ মর্যাাদা ও সম্মান রেখেই আমাদের এটা করতে হবে। আমরা শুধু লাটাভিয়ার মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই ভাবিত নই, দেশের আচার-আচরণ ও সংস্কৃতি নিয়েও সহানুভূতিশীল।’
আনুমানিক ২০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে ৭৭৬ জন শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়েছে।
সুত্র:সমকাল
খুলনাটুডে.কম | খুলনা বিভাগের সকল সংবাদ সবার আগে